গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা শহরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এক সরকারি হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে রোগী মোজতবা খামেনি উদ্ধার হয়েছেন। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বোমা হামলার পরপরই ঘটেছে; প্রথম হামলায় হাসপাতালের বেশ কয়েকটি কাঠামো ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং বহু রোগী আহত হন। মোজতবা, যিনি গৃহস্থালী রোগে ভর্তি ছিলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে ছিলেন এবং উদ্ধারকর্মীরা কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তাকে নিরাপদে বের করে আনতে সক্ষম হন। এই ঘটনা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও মানবিক সঙ্কটের তীব্রতা তুলে ধরেছে, ফলে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বোমা হামলার পটভূমি জটিল। দুই সপ্তাহ আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একটি গোপনীয় অপারেশন চালায়, যার লক্ষ্য ছিল দেশের কিছু কৌশলগত অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা বলে দাবি করা হয়। তবে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলি এই হামলাকে অবৈধ এবং নাগরিক বেসামরিকদের উপর আঘাতের অভিযোগে চিহ্নিত করেছে। প্রথম হামলায় হাসপাতাল, স্কুল ও বাজারের মতো বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে বহু মানুষ আহত ও প্রাণ হারায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে, দ্বিতীয় হামলা আরও বেশি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এটি পূর্বে ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসপাতালের পুনর্নির্মাণ কাজকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং বেঁচে থাকা রোগীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে ফেলেছে।
হামলার পরপরই সরকারী কর্মকর্তারা, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় প্রশাসনের মুখে একাধিক মন্তব্য শোনা যায়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, “মোজতবা খামেনি সহ বেঁচে থাকা রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসপাতালের পুনর্নির্মাণ কাজ ত্বরান্বিত করা হবে।” অপরদিকে, মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, “নাগরিক বেসামরিকদের উপর আক্রমণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং তাৎক্ষণিক তদন্তের প্রয়োজন।” সাধারণ জনগণও এই ঘটনার প্রতি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে; সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা পোস্টগুলোতে “নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক” ও “আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দাবি করা হোক” মত দাবি উঠে এসেছে।
অধিকাংশ কর্তৃপক্ষ এখনো ঘটনাস্থলে জরুরি তদারকি ও পুনর্গঠন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তা সংস্থা ঘটনাস্থলকে নিরাপদ করে তুলতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনীর মোতায়েন করেছে এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হাসপাতালের স্থায়ী পুনর্নির্মাণের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে হামলার প্রকৃত কারণ ও দায়িত্বশীলদের সনাক্ত করা যায়। ভবিষ্যতে, সরকার বেসামরিক অবকাঠামোর সুরক্ষা বাড়াতে নতুন নীতি প্রণয়ন ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে।